সবার আগে নিজের অন্তরের দিকে লক্ষ্য রাখুন। সবসময় নিজের অন্তরের অবস্থার ব্যাপারে সতর্ক থাকুন।
দ্বিতীয়ত: আল্লাহর কাছে দুআ করুন। বুখারী শরীফের হাদিস, আবু বকর (রা) রাসূল (স) কে ছোট শিরকের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেছেন। তখন রাসূল (স) উপদেশ দান করেন, গোপন বা প্রকাশ্য যে কোনো ধরণের লৌকিকতা (লোক দেখানো) থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাও। বুখারীতে এরকম একটি দুআ আছে আপনি এটি যেকোনো হাদিসের বইতে পাবেন। রাসূল (স) আবু বকর (রা) কে শিখিয়ে দিয়েছেন কি বলতে হবে। اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ أَنْ أُشْرِكَ بِكَ وَأَنَا أَعْلَمُ، وَأَسْتَغْفِرُكَ لِمَا لاَ أَعْلَمُ "হে আল্লাহ! আমি জ্ঞাতসারে আপনার সাথে শির্ক করা থেকে আপনার নিকট আশ্রয় চাই এবং অজ্ঞতাসারে (শির্ক) হয়ে গেলে তার জন্য ক্ষমা চাই।" (এখানে শিরক বলতে রিয়া বা লোকদেখানো সৎ কাজকে বোঝানো হয়েছে।) তাহলে আপনি সবসময় আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার কাছে দুআ করতে থাকবেন।
এই প্রশ্নের শেষ পয়েন্ট হলো, নিশ্চিত করুন আপনার প্রচুর পরিমাণে গোপন ভালো কাজ রয়েছে। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্ট। বস্তুত, আপনার ভালো কাজের অধিকাংশই গোপনে হওয়া উচিত। তাই, রাসূলুল্লাহ (স) এর উদহারণ ছিল যে, শুধু ফরজ নামাজ মসজিদে সবার সামনে পড়া ছাড়া সকল নামাজ তিনি গোপনে পড়তেন। অন্য সকল নামাজ তিনি (স) তাঁর ঘরে আদায় করতেন। দান করুন যতটুকু সম্ভব গোপনে। কাউকে সাহায্য করলে গোপনে করুন। এ নিয়ে ফেইসবুকে পোস্ট করবেন না। গোপনে করুন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য। যদি এগুলো করতে পারেন তাহলে ইনশাআল্লাহ এটা আপনাকে আরও বেশি বেশি আন্তরিক করে তুলবে। Source: https://www.facebook.com/NAKBangla

Post a Comment